নাস্তিকদের ওপর বিশ্বাস রাখা বিপজ্জনক

নাস্তিকদের ওপর বিশ্বাস রাখা বিপজ্জনক

প্রায়ই বলি–আস্তিক তো বটেই, নাস্তিকদেরকেও বিশ্বাস কইরেন না, এমনকি পাল্লাকেও না। বিশ্বাস করা বলতে বিশ্বাস কইরা ব্যক্তিগত ইনফো, যা দিলে পরে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হওয়া সহ নানা ধরনের ক্ষতি হইতে পারে।

ধর্মের ঊর্ধ্বে ওঠা নাস্তিক হয়তো ধর্মীয় দিক দিয়ে আপনার কোনো ক্ষতি করবে না–এর সাথে মিলেমিশে আপনি ধর্ম পুন্দাইতে পারেন, সমস্যা নাই। কিন্তু সেই নাস্তিক যদি দলের ঊর্ধ্বে উঠতে না পারে, তাহলে একসাথে ধর্ম পুন্দাইলেও যদি তার দল-মতের সাথে একমত না হন, তাহলে দলের স্বার্থে সে আপনার ক্ষতি করতে পারে। যেমন ধরেন লীগার নাস্তিক। উদাহরণ–ছিপি গ্যাং এইসব লীগার নাস্তিকদেরই মস্তিষ্কপ্রসূত। (ছিপি গ্যাং-এর কর্মকাণ্ড নতুন করে বলার কিছু নাই।)

এবার ধর্ম ও দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠতে পারলেও যারা ব্যক্তিগত লোভ-স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে নাই, ব্যক্তিগত স্বার্থে আঘাত দিলে তারাও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। এরা দলের না হলেও কোনো প্রতিষ্ঠান বা এজেন্সি বা পুলিশের দালাল হতে পারে। হাদিয়ার বিনিময়ে এরা এসব এজেন্সির স্বার্থটাই আগে দেখবে। সো পুলিশ যদি আপনার ইনফো চায়, তাহলে এরা নিজেদের স্বার্থে পুলিশের স্বার্থটাই আগে হাসিল করবে। যেমন ধরেন লীগার নাস্তিক–দলদাস–পুলিশের দালাল মশুয়ার রাযেস নির্ঝোর নিঘুম…

রাসেল আর শুভকে ডিবির হাতে ধরাইয়া দিছিলো মশুয়ার। (যারা এই তথ্যটা জেনেও না জানার ভান করে, সেইসব ছুপা থেকেও সাবধান।) এছাড়া পরে তার নবীত্বে আঘাত দেয়ায় পাল্লার পায়ের তলার মাটি সরাইয়া দেয়ার হুমকি সে প্রকাশ্যেই দিয়েছে। এই টাইপের আরো যারা আছে–যারা অনলাইনে তাদের নবীত্ব প্রভূত্ব দাদাগিরি বজায় রাখতে চায়, প্রভাব বিস্তার করতে চায়, লাইক-কমেন্ট ধরে রাখতে চায়, মুরিদ ধরে রাখতে চায়, টিআরপি ধরে রাখতে চায়, বা যাদের এসাইলামের লোভ আছে, ‘মাগিবাজির’ লোভ আছে–আরো নানান ভাবে ব্যক্তিগত লোভ-স্বার্থ থাকতে পারে–এদের থেকে অবশ্যই সাবধান…

শুনলাম মুফা নাকি আবার ইসলামের সায়াতলে ফিরে গেছেন। (আমার আসলে কিছুই বিশ্বাস হয় না।) মুফাকে কে কতটা ইনফো দিয়েছেন, কতটা ইনফো কালেক্ট করতে পারছে, সেগুলো দিয়ে কার কতটা ক্ষতি করবে বা করার ক্ষমতা রাখে–জানি না। তবে মশুয়াররা কী করতে পারে তার প্রমাণিত উদাহরণ রাসেল-শুভ। এছাড়া দুনিয়া থেকেও যে সরিয়ে দিতে পারে–সে রকম উদাহরণ রাগের ঠেলায় প্রকাশ্যে পাল্লারেই হুমকি দিয়ে বসা…

আরো একটা ব্যাপার দেখেন–এককালে যারা নিয়মিত পাল্লার পোস্ট লাইক-কমেন্ট দিত, তাদেরই কোনো না কোনো স্বার্থে আঘাত লাগায় আইডিটা খেয়ে দিলো, এবং নতুন আইডিতেও তারা আর আসে না। অথচ অন্য আইডি হারাইয়া নতুন আইডি বানাইলে সেই আইডি প্রমোট কইরা আবার আগের পর্যায়ে নিয়ে আসতে বেশি সময় লাগে না।

মশুয়াররা জনে জনে মেসেজ দিয়ে বেড়িয়েছে যাতে পাল্লারে লিস্টে না রাখে, পাল্লারে পোস্টে লাইক-কমেন্ট না দেয়, যোগাযোগ না রাখে, গ্রুপিং করা–এগুলা ওপেন সিক্রেট। এমনকি ধর্মপচারকসাবকে পর্যন্ত এরা এমন ইম্প্রেস কইরা ফেলছিল যে তিনি পর্যন্ত এদের হয়ে আর সবাইকেও একই কথা–পাল্লা থিকা দূরে থাকতে বলে বেড়িয়েছেন। এসাইলাম ইস্যুতেও নানান গ্রুপিং-এর কথা আশা করি কারো অজানা নয়। এইসব গ্রুপিং করে নিজেদের দল-মতের নাস্তিকদেরকেই শুধু হেল্প করা, এসব নিয়ে ক্যাচাল হওয়া–সেসবও প্রকাশ্যে চলে আসছিল।

যা হোক, মানুষের লোভ-স্বার্থ শুধু ধর্ম আর পরকাল দিয়াই হয় না, আরো নানান ভাবে এইসব থাকতে পারে। আর এইসবে আঘাত লাগলে সাপের মতো ফণা তুলতে বিন্দুমাত্র সময় নেয় না–এসব আর নতুন করে বলার কিছু নাই। তাই এই ভার্চুয়াল লাইফে কী করছেন, কেন করছেন, কীভাবে করছেন–সব সময় ভাইবা-চিন্তা…

=========
[ফ্রেম-বালুবাচার গেম খেলতে ইনবক্সে আসা পাবলিকদের কতা মিস হইয়া গেছে। নিজ দায়িত্বে হেইডা বুইগা লন। অবশ্য–সবাই এখ না।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *