ফেসবুকে হ্যারাসমেন্ট আর বুলিং

ফেসবুক হাহা

[এক স্যার মুন্সি স্যারের এই স্নাপশট নেয়া পোস্টের লিঙ্ক ইনবক্স কইরা এত্তগুলা মেসেজ দিছেন। ভাবলাম একা একা কেন মগা নিবো, আপনাদের সাথেও একটু শেয়ার করি…]

মুন্সি স্যারের পোস্টের স্নাপশট

বৈদ্যাশলীগের পোস্ট দেখেন
সাপও মরলো না লাঠিও ভাংলো না
লাইক কমেন্ট আর শেয়ার দেখেছেন!
লীগে লীগে শ্যাম পীরিতি
দলের বিরুদ্ধে সবাই ফুঁসলে এদের কাজ হলো লীগের আমজনতাকে কন্ট্রোলে রাখা। এজন্য এরা নানানরকম কন্ট্রোভার্সি লেখা লেখে।
এতে এরা আপাতত খুশি হয়
নিন্দাসূচক লেখাজোকা দেখলে ভালো লাগে
এজন্য এরা লেখে
এদেরকে দিয়ে লেখানো হয়
আবার আরেক শ্রেণি আছে সরাসরি প্রশ্ন তুলবে যে, এইরকম আর কতদিন চলবে?
এর কি বিহিত নাই?
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হোক
আশাকরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা দেখবেন
আপনারা অপেক্ষা করেন।
নিশ্চয়ই নেত্রী তা যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন
এরপর লোক দেখানো গ্রেফতার টেফতার হবে
সামনে নয়া ইস্যু চলে আসবে
এই ইস্যু দীর্ঘ হলে নয়া ইস্যু বানানো হবে
জামাত শিবিরের মদদপুষ্ট বলে হাতুড়ি দিয়ে পেটাবে
বা কোথাও জংগিদের নিয়ে অপারেশন করাবে। কয়েকটা খতম করবে। ব্যস সব ঠাণ্ডা
এই তাৎক্ষণিক সময়ে মুন্সিরাই সামাল দেয়।
আর মগা তো সবকিছুতেই স্পিকটি নট
প্রায় আড়াই বছর হয় এ কিস্যুটি লেখে না। ধর্ম বাদে
আগেও কইছি সবাই সবকিছু নিয়ে লেখবে তা না
কিন্তু সে তো আগেও সবকিছু নিয়া লেখছে
এখন লেখে না
এ লীগরে দাসখত দিছে না কি?
বউবাচ্চা তার কাছেই আছে। এতো ভয় কিসের?
এগুলো তো কমবেশি সবাই-ই জানে। গুটিকয় লোক ফিসফিস করে বলে। এরমধ্যে আমি একজন।
ধরেন এছাড়াও এরা দলে ভেড়ায়
কুংগকে নিয়েছে
ইমিকে নিয়েছে
যেভাবেই হোক নিয়েছে
সন্ন্যাসীদের ভয়টয় দেখিয়ে রাখে
এগুলোর বাস্তবতা তো আছে
প্রমাণ নাই
বাস্তবতা আছে
কেইস দিচ্ছে
ভয় দেখাচ্ছে
পক্ষে থাকুন
নাহয় খবর আছে
হিন্দু হলে তো আরও দুর্বল করে রাখে
যারা তাদের কথা শোনে না এদের সব ইনফরমেশন কালেক্ট করে
যারা লাইক কমেন্ট পায় আরকি
চাকুরি করলে চাকুরিদাতাদের হুমকি দেয়
সরকারি চাকুরি হলে তো বুঝেনই
আগে লীগের সেলেব্রেটিরা পিনাকিরে জোর গলায় পাত্তা না দিতে কইতো
কইতো এসব কইরা আপনারা এরে লাইমলাইটে আনবেন
আয়রনি হলো এই তিন চার বছরেই এরা হররোজ পিনাকিরে নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়
মজা লাগতেছে পিনাকিরে এখন লীগাররা বিরোধী দল ভাবে। ইন্টারেস্টিং না?
একটা দেশের মহামহিম সরকার বা ভয়ংকর রেজিম একটা দলের কীরকম অধপতন হইতে হইতে এরা এখন কই নামছে ভাবেন যে এক জঘন্য সাম্প্রদায়িক কীটকে এখন ভয়ানক ভয় পাচ্ছে!
নিজের পালাপোষা ধর্মের সাপ এখন নিজেরই হাতছাড়া
ধর্মের বিষাক্ত সাপের উঝা এখন পিনাকী!
লাগ ভেলকি লাগ!

[আমি কিছু বলতেছি না। এই পর্যন্ত দিতে দিতে স্যার মনে হয় টায়ার্ড হইয়া গেছেন। লাস্টে ‘খাইতে যাই’ বইলা অফ গেছেন। খাওয়াদাওয়া শেষে যদি তিনি আরো কিছু বলেন, তাহলে পরে এড করে দেবো।]

ফেসবুকে উপরেরটুকুই ছিল পাল্লা পেজে পোস্ট।

এইবার আসেন আসল কাহিনীতে– দেখেন ফেসবুক কী বইলা পোস্টটা রিমুভ কইরা দিছে–

ফেসবুক হাহা

উসংহার

খাপো আর হাপোদের নাম বা ছবি নিয়া পোস্ট দিলেই ফেসবুকে হ্যারাসমেন্ট আর বুলিং হইয়া যায়!

2 thoughts on “ফেসবুকে হ্যারাসমেন্ট আর বুলিং

  1. আলহামদুলিল্লাহ এইসব কোন বিষয় নয়।
    এরাই তো বাকস্বাধীনতা এইসব নিয়া চিল্লাপাল্লা করে।
    ফেসবুকে এরকম বিষয়ও অস্বাভাবিক নয়।
    এই কাজ গুলো অটোমেশন প্রোগ্রাম এর কাজ।
    কয়েকটা রিপোর্ট পড়লেই তারা কিছু না বুঝেই।পোস্ট রিমুভ ব্যান করে দেয়।
    তবে যাই হোক মাশুয়ার এর চেহারা আর স্বভাবটা এখনও বদলালো না এই হলো বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *