জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প

সাধারণ মানুষদের কোনো গল্প থাকে না। আমারও নেই। মজার মজার ঘটনা সব সেলেবদের জীবনেই ঘটে। তারা কত সুন্দর করে সেসব গল্প লেখে, মনে হয় যেন একেবারে বাস্তব ঘটনা।

কিছু লিখতে হলে আমাকে নির্ভর করতে হয় বোরখাওয়ালী নয়তো বিশুর উপর। বোরখাওয়ালীর সাথে আমার প্রায় সব গল্পই ভালোবাসার গল্প হয়ে যায়। একটা পর্যায়ে এসে সে সিদ্ধান্ত আমার কাছ থেকে বাচ্চাকাচ্চা নেয়া ঠিক হবে না, কারণ তার মনে হয় হয়েছিল আমি ভালো বর, ভালো বাবা, ভালো সংসারী কোনোদিন হতে পারব না।

এতদিন পরে মনে হয়–শুধুমাত্র বোরখাওয়ালীই আমাকে ঠিকঠাক চিনেছিল। আর এ জন্যই এখনো তাকে নিয়ে কিছু লিখতে গেলে সেগুলো ভালোবাসার গল্প হয়ে ওঠে।

কষ্ট হলেও বোরখাওয়ালীর সিদ্ধান্তকে সম্মান করেছিলাম। আর নিজের কষ্ট ভুলতে আরেকজনের সাথে ভুল করে নিজের জীবন জড়িয়েছি। জীবনের সাথে জীবন জড়ালে সবাই চায়–ভালো সংসারী হবে। আমার ওসব হয়ে ওঠে না বলেই বার বার মনে হয়–ঠকাচ্ছি।

২) বিশু মোটামুটি ভালো ছাত্র ছিল। একটা পর্যায়ে পারিবারিক ঝামেলায় পড়ে হোঁচট খেলেও আবার কিছুটা হলেও উঠে দাঁড়াতে পেরেছিল। তার আগে নিজেও একটা হোঁচট খেয়েছিলাম, কিন্তু ভালো ছাত্র না হওয়াতে জীবনে আর একাডেমিক ফিল্ডে উঠে দাঁড়াতে পারলাম না। এরকম ব্যক্তিগত কিছু ঘটনা বাদে ছোটবেলা থেকে একসাথে বেড়ে ওঠার ফলে তার অনেক গল্পের সাথে নিজের মিল আছে, কিন্তু লেখালেখির হাত ততটা ভালো নয় বলে সেগুলো সেভাবে লেখা হয়ে ওঠে না। তার চেয়ে বিশুর সাথে যখন দেখা হয়, কথা হয়, তখন সে পুরানো দিনের কথা তুললে সে যেভাবে কথাগুলো বলে, সেভাবে তার মত করে লেখা সহজ। এছাড়া তার কিছু ডায়েরি আছে যা থেকে সময় পেলে টাইপ করি।

এই উইকএন্ডে বিশুর সাথে দেখা হয়েছিল। এত এত কথা হয়েছে সব জট পাকিয়ে গেছে–কোনটা রেখে কোনটা বলি! তাই আপাতত ওসব গল্পও বাদ।

৩) যারা সংসারী হয় না, তাদেরকে যে কথাটা সবচেয়ে বেশি শুনতে হয়–একা একা মরবি…
কী করে বুঝাই–মানুষ যখন মরে, তখন একা একাই মরে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *